শালিখা (মাগুরা) প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মাগুরা জেলা শাখার আমির ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মাগুরা জেলা শাখার উপদেষ্টা অধ্যাপক এমবি বাকের বলেছেন, বিগত বছরগুলোতে ফ্যাসিস্ট সরকার শেখ হাসিনা ও তার দোসররা শ্রমিকদেরকে তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে।
তারা এদেশ থেকে কোটি কোটি টাকা লুট করে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বেগম পাড়ায় বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ করেছে। তারা যে অর্থ লোপাট করেছে তা ফিরিয়ে আনলে এ দেশের প্রতিটা মানুষ এক লক্ষ করে টাকা পেত। আর আমরা ক্ষমতায় গেলে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের জন্য কাজ করা হবে, শ্রমিকদের যথাযথ সম্মান দেয়া হবে যে সম্মান আল্লাহ ও তার রাসূল তাদেরকে দিয়েছেন। তিনি বলেন, শ্রমিকরা আল্লাহর বন্ধু তাই শ্রমিকদেরকে মূল্যায়ন করতে হবে শ্রমিকদের নায্য অধিকার ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। শ্রমিকদের নায্য অধিকার আদায়ে আমরা সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছি। যতদিন পর্যন্ত শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য অধিকার না পাবে ততদিন পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম চলবে। আজ বৃহস্পতিবার (১লা মে) শালিখা উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের আয়োজনে মহান মে দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অঙ্গ সংগঠন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন শালিখা উপজেলা শাখার উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয় র্যালিটি শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপজেলা কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে আড়পাড়া বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আড়পাড়া আইডিয়াল হাই স্কুল মাঠে গিয়ে শেষ হয়। র্যালি পরবর্তী আলোচনা সভায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের শালিখা উপজেলা শাখার সভাপতি আতিয়ার রহমানের সভাপতিত্ব ও সম্পাদক শাহজালাল মৃধার সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের যশোর -কুষ্টিয়া অঞ্চলের সহ-পরিচালক অধ্যাপক মশিউর রহমান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মাগুরা জেলার সভাপতি ইব্রাহিম বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, শালিখা উপজেলা আমির অধ্যাপক আফসার আলী, সম্পাদক শাহিনুর রহমান। এছাড়াও উপজেলা কাঠ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বাহারুল ইসলাম, হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি নাছির মোল্যা, ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বিপ্লব সর্দার, কৃষি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ইসমাইল মোল্যা বক্তব্য প্রদান করেন। সভায় বক্তারা বলেন, শ্রমিকরা একটি দেশ গড়ার কারিগর তাই একটা দেশকে যদি স্বর্ণ শিখরে পৌছাতে হয় তাহলে সর্বপ্রথম কাজ হলো শ্রমিকদেরকে মূল্যায়ন করা। এসময় শালিখা উপজেলার ভ্যান চালক,রিক্সা চালক, ইজিবাইক চালক, রাজমিস্ত্রী, কাঠমিস্ত্রী, টাইলস মিস্ত্রী সহ বিভিন্ন সেক্টরের সার্ধশতাধিক শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন।
সুবির কুমার
শালিখা প্রতিনিধি, বাংলাদেশ দর্পণ